কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ১২:০৩ PM
কন্টেন্ট: পাতা
পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
গণকবাড়ি, সাভার, ঢাকা - ১৩৪৯।
ফোন: +৮৮-০২-২২৩৩৭৫২০১, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-২২৩৩৭৫২০২
ই-মেইল : dgaere@baec.gov.bd
আমাদের সম্পর্কে
পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (পশগপ্র) বাংলাদেশের পারমাণবিক গবেষণা ও উন্নয়নের প্রধান কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC)-এর অধীন সর্ববৃহৎ পারমাণবিক গবেষণা স্থাপনা। প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য হলো শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে গবেষণা ও উন্নয়ন পরিচালনা করা, যার মাধ্যমে জাতীয় স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করা। এটি একটি আধুনিক ও বহুমাত্রিক গবেষণা কেন্দ্র যেখানে ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় আধুনিক, মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা কার্যক্রম চলমান, যার মাধ্যমে শিল্প, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা, খাদ্য, কৃষি, পরিবেশ ও জ্বালানি খাতে পরমাণু প্রযুক্তির নিরাপদ ও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
১৯৭৫ সালে ঢাকার প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে সাভারস্থ আশুলিয়ার গণকবাড়ীতে ২৬৩.৫ একর জমির উপর পশগপ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সময়ের পরিক্রমায় এটি দেশের প্রধান পারমাণবিক গবেষণা কমপ্লেক্সে রূপ লাভ করেছে। এখানে ১৯৮৬ সাল থেকে ৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন TRIGA Mark-II গবেষণা রিঅ্যাক্টর সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। পশগপ্র - এর গবেষণালব্ধ ফলাফল খাদ্য সংরক্ষণ, চিকিৎসা সামগ্রী জীবাণুমুক্তকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তব ও বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করেছে, যা দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এছাড়া, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প (RNPP)-এর জন্য কারিগরি সহায়তা সংস্থা (TSO) হিসেবে পশগপ্র নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও কারিগরি উৎকর্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বর্তমানে পশগপ্র-এর অধীনে নিম্নলিখিত ১৩টি স্বতন্ত্র গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ইউনিট কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা বাংলাদেশের পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং টেকসই উন্নয়নে অগ্রনী ভূমিকা রাখছে।
১। পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট
২। খাদ্য ও বিকিরণ জীববিজ্ঞান ইনস্টিটিউট
৩। সেন্টার ফর রিসার্চ রিঅ্যাক্টর
৪। ইলেকট্রনিক্স ইনস্টিটিউট
৫। কম্পিউটার বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট
৬। টিস্যু ব্যাংকিং ও বায়োমেটেরিয়াল গবেষণা ইনস্টিটিউট
৭। পরমাণু ভূ-তাত্ত্বিক বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট
৮। রেডিয়েশন ও পলিমার প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট
৯। এনার্জি সায়েন্স ইনস্টিটিউট
১০। পরমাণু চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট
১১। বৈজ্ঞানিক তথ্য ইউনিট
১২। ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
১৩। কেন্দ্রীয় প্রকৌশল সুবিধাদি
চলমান কার্যক্রম
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও ইউনিটের আওতায় পরিচালিত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমসমূহ নিম্নরূপ:
উন্নত গবেষণা ও বিকিরণ প্রযুক্তিঃ রেডিওআইসোটোপ উৎপাদন, বিকিরণ রসায়ন, পলিমারের বিকিরণ প্রক্রিয়াকরণ, নিউট্রন রেডিওগ্রাফি, নিউটন এক্টিভেশন এনালাইসিস, নিউট্রন স্ক্যাটারিং, আইসোটপ হাইড্রোলজি, পরিবেশগত ও ভূতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ এবং পরিবেশে বিকিরণ পর্যবেক্ষণ সব ক্ষেত্রেই আধুনিক গবেষণা পরিচালনা করে দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করা।
ভারী মৌল বিশ্লেষণ ও আর্সেনিক ডায়াগনসিসঃ বিভিন্ন নমুনায় ক্ষতিকর ও ভারী মৌলের গুনগত ও পরিমাণগত বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে একটি বৃহৎ শ্রেণীর স্টেক হোল্ডারদের (বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প ক্ষেত্র) সেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আর্সেনিক আক্রান্ত মানুষের চুল ও নখ বিশ্লেষণ করে আর্সেনিকের পরিমাণগত ডায়াগনসিস সম্পন্ন করা হয়।
বিশ্লেষণাত্মক ও মলিকুলার ডায়াগনস্টিকসঃ প্রাণিজ উৎসের খাদ্যে ভেটেরিনারি ওষুধের অবশিষ্টাংশ বিশ্লেষণ; অণুজীবের মলিকুলার শনাক্তকরণ (১৬এস rRNA জিন, WGS); এবং বিকিরণকর্মী ও নিউক্লিয়ার মেডিসিন ও রেডিওথেরাপি রোগীদের বায়োডোসিমেট্রি।
খাদ্য নিরাপত্তা, প্রোবায়োটিকস ও টেকসই জৈব-উদ্ভাবনঃ খাদ্যের নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিতকরণ; প্রোবায়োটিক ও জৈবসার প্রযুক্তির উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন; এবং পারমাণবিক, জৈবপ্রযুক্তিগত ও প্রচলিত কৌশল ব্যবহার করে কৃষি-শিল্প বর্জ্যকে মূল্যসংযোজিত পণ্যে রূপান্তর।
বিকিরণ প্রক্রিয়াকরণ ও কীট-ভিত্তিক উদ্ভাবনঃ বিকিরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চিকিৎসা ও ওষুধ সামগ্রীর জীবাণুমুক্তকরণ; নিরাপদ ও বিষমুক্ত শুঁটকি উৎপাদনে মাছি বন্ধ্যাকরণ প্রযুক্তির (SIT) প্রয়োগ; কীট-ভিত্তিক সাশ্রয়ী পোল্ট্রি ও মৎস্য খাদ্য উন্নয়ন; এবং নগর-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত চিকিৎসায় পোকামাকড়ের ব্যবহার।
যন্ত্রপাতি নকশা ও উন্নয়নঃ পারমাণবিক ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির নকশা, উৎপাদন, মেরামত ও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তি অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল রাখা।
আইসিটি ও সফটওয়্যার সেবাঃ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা, যা পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে টেকসই পারমাণবিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ডিজিটাল সক্ষমতাসম্পন্ন সেবা, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নয়ন সাধন করা।
গবেষণা চুল্লির নিরাপদ পরিচালনাঃ গবেষণা চুল্লির নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ, প্রকৌশল বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের ধারাবাহিক তত্ত্বাবধানে মৌলিক গবেষণার সুযোগ নিশ্চিত করা।
খনিজ সম্পদ উন্নয়নঃ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিকভাবে সম্ভাবনাময় এলাকায় ভূতাত্ত্বিক, ভূরাসায়নিক ও ভূপদার্থিক জরীপ ও বোরহোল লগিং এর মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় খনিজ (ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম), ভারী খনিজ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মূল্যবান খনিজ (রেয়ার আর্থ এলিমেন্ট) অনুসন্ধান এবং সনাক্তকরণ। উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন, হাইড্রো-জিওলজিক্যাল অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতের পারমাণবিক স্থাপনা ও জিওলজিক্যাল রিপজিটরী’র জন্য ভূতাত্ত্বিক স্থানের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে সহায়তা করি।
টিস্যু এলোগ্রাফটস সেবাঃ মানব টিস্যু (অ্যামনিয়টিক মেমব্রেন ও অস্থি) সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ - যা দগ্ধ রোগী ও দুর্ঘটনাজনিত পুনর্বাসন সার্জারিতে ব্যবহৃত হয়।
টেকসই জ্বালানি গবেষণাঃ নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি।
চিকিৎসা সামগ্রীর জীবাণুমুক্তকরণঃ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করে গামা বিকিরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে পলিমারভিত্তিক চিকিৎসা সামগ্রী জীবাণুমুক্তকরণ।
মানবসম্পদ উন্নয়নঃ পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের একাডেমিক সহায়তা প্রদান।
ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসাঃ ক্যানসার রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্সে দক্ষ জনবল তৈরি করা।
প্রকৌশল ও গবেষণা সহায়তাঃ গবেষণাগার ও গবেষণা স্থাপনায় প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সেবা প্রদান করে নিরবচ্ছিন্ন গবেষণা কর্মসম্পাদন নিশ্চিত করা।
বিজ্ঞান তথ্য সেবাঃ পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক চলমান গবেষণার সাম্প্রতিক তথ্য বিজ্ঞানীদের নিকট পৌঁছে দেওয়া। পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট গবেষণা ও উন্নয়ন, সেবা এবং অর্জনসমূহের সর্বশেষ তথ্য দেশি ও বিদেশি বিজ্ঞানী এবং দর্শনার্থীদের মধ্যে বিতরণের মাধ্যমে নিউক্লিয়ার নলেজ আদান-প্রদান ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
একাডেমিক সহায়তা ও প্রতিভা উন্নয়নঃ এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মানসম্মত একাডেমিক সহায়তা প্রদান করার পাশাপাশি আগামী দিনের জন্য দক্ষ ও সৃজনশীল বৈজ্ঞানিক প্রতিভা গড়ে তুলতে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখে।
পশগপ্র পরিচালিত হয় মহাপরিচালকের নেতৃত্বে। তাঁর তত্ত্বাবধানে ইনস্টিটিউট ও ইউনিট পরিচালকবৃন্দ এবং জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত গভর্নিং বডি প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মহাপরিচালকের দপ্তরে কেন্দ্রীয় প্রশাসন ও সংস্থাপন বিভাগ এবং কেন্দ্রীয় অর্থ ও হিসাব বিভাগ এই দুটি বিভাগের মাধ্যমে কার্যকর ও নিরবচ্ছিন্নভাবে অফিস ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে থাকে। বর্তমানে পশগপ্র-তে মোট ৮০১ জন দক্ষ জনবল কর্মরত আছেন, যাদের মধ্যে ২৫০ জন অভিজ্ঞ বিজ্ঞানী, ৬০ জন কর্মকর্তা এবং ৫০১ জন সাধারণ ও বৈজ্ঞানিক কর্মী অন্তর্ভুক্ত আছেন যাঁরা সম্মিলিতভাবে গবেষণা, উদ্ভাবন ও জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখছেন। ক্যাম্পাসটি একটি গবেষণা বান্ধব পরিকল্পিত, আধুনিক ও সহায়ক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে রয়েছে সুসজ্জিত কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া, নিজস্ব চিকিৎসাকেন্দ্র, মসজিদ এবং স্কুল এন্ড কলেজ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক সম্মেলন, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এখানে আছে একটি ৩৪০ আসনবিশিষ্ট আধুনিক অডিটোরিয়াম। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লাব সুবিধা ও একটি ভিআইপি গেস্টহাউস রয়েছে, যা আগত গবেষক ও অতিথিদের জন্য আন্তরিক আতিথেয়তা নিশ্চিত করে।
প্রদত্ত সেবা
পশগপ্র-তে উৎপাদিত বিশ্বমানের মলিকিউলার টেকনিসিয়াম-৯৯এম জেনারেটর নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়, যা ক্যান্সারসহ নানা রোগ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রতি বছর প্রায় ১৩৫০ কিলোকিউরি আয়োডিন-১৩১ প্রস্তুত করে দেশের পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্রসমূহে নিয়মিত সরবরাহ করা হয়।
খাদ্য ও পশুখাদ্যের জন্য পুষ্টিগুণ বিশ্লেষণ এবং ভেটেরিনারি ওষুধ (অ্যান্টিবায়োটিক) ও কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষাসহ পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ সেবা প্রদান। পাশাপাশি, ওষুধ শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিকিরণ সেবা প্রদান।
বিভিন্ন পরমাণু বিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ, সংস্কার, মানোন্নয়ন ও রিফারবিশ করা হয়; পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির নকশা ডিজাইন ও উন্নয়ন করা হয়।
কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েব পোর্টাল এবং বিভিন্ন লিগ্যাসি সফটওয়্যারের ম্যানেজমেন্ট ও মেইনটেনেন্স, ডি-নথি বাস্তবায়ন, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম-এর পরিচালনা, বাপশক-এর ডোমেইন বেসড অফিশিয়াল ইমেইল সেবা, কমিশনে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং সেবা, কম্পিউটার ট্রাবলশুটিং, আইডি কার্ড তৈরি, বাংলাদেশ সরকার এবং IAEA- এর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন পরিষেবাদি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাস্তবায়ন এবং কমিশনে আইসিটি বিষয়ে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি।
বোরহোল জিওফিজিক্যাল লগিং কৌশল ব্যবহার করে খনিজ ও কয়লা স্তর শনাক্তকরণ, ভূগর্ভস্থ জলাধার এবং জিওলজিক্যাল রিপজিটরী’র অবস্থান নির্ধারণের জন্য ভূ-পৃষ্ঠের লিথোলজির ভৌত বৈশিষ্ট্য/বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের জন্য সেবা প্রদান করা হয়।
অর্থোপেডিক চিকিৎসার জন্য রেডিয়েশন স্টেরিলাইজড বোন এলোগ্রাফট সরবরাহ করা হয়। এছাড়া প্রক্রিয়াজাতকৃত ও সংরক্ষিত অ্যামনিওটিক মেমব্রেন দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসায় বায়োলজিক্যাল ড্রেসিং হিসেবে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হয়।
ক্যান্সার রোগীর রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও ফলোআপ সেবার অংশ হিসেবে পেট-সিটি, লিনাক, ব্রাকিথেরাপি, এমআরআই এবং সাইক্লোট্রন অপারেশনের মাধ্যমে ট্রেসার উৎপাদন করা হয়।
গামা বিকিরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন পলিমারভিত্তিক চিকিৎসা সামগ্রী জীবাণুমুক্তকরণের সেবা প্রদান করা হয়।
নিউক্লিয়ার খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রমনিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হয়।
রিসার্চ ফর লাইফ (R4L) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ই-জার্নাল ও ই-বুক সেবা, প্লেজিয়ারিজম (Turnitin) যাচাই এবং LMIS/IDSDP ডাটাবেজভিত্তিক ই-ক্যাটালগ সেবা প্রদান করা হয়।
যোগাযোগ/জনবল
পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
গণকবাড়ি, সাভার, ঢাকা - ১৩৪৯।
ফোন: +৮৮-০২-২২৩৩৭৫২০১, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-২২৩৩৭৫২০২
ই-মেইল : dgaere@baec.gov.bd