বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ জুলাই ২০১৭

স্বাস্থ্য পদার্থ ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট

ভূমিকা 

এই গবেষণাগারে পেশাজীবী বিকিরণকর্মী ও জনগণের উপর বিকিরণ সম্পাতের মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের সুষ্ঠু সংরক্ষণের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য তথা পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এইআরই সাভারে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বিশেষজ্ঞ সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগার স্থাপনের মাধ্যমে তরল/কঠিন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ/বিদূষণকরণ কাজে প্লান্টটি নিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

 

লক্ষ্য/উদ্দেশ্য

তেজস্ক্রিয় পদার্থ এবং তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মএবংপরিবেশকে রক্ষা করার জন্য স্বাস্থ্য পদার্থ বিজ্ঞান ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নিম্নলিখিত কর্মকান্ড নিয়মিতভাবে বাস্তবায়ন করে চলেছেঃ  

 

  • পরিবেশগত তেজস্ক্রিয়তা পরিবীক্ষণ: এই কর্মসূচীর মাধ্যমে সাধারণ জনগণ ও পরিবেশে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ সম্পাত যাচাই এবং নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
  • তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: এই কর্মসূচীর মাধ্যমে  তেজস্ক্রিয় বর্জ্য এবং তেজস্ক্রিয় সোর্সসমূহের নিষ্পত্তির পূর্ব পর্যন্ত নিরাপদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা  করা হয়।
  • সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড ডোসিমেট্রি ল্যাবরেটরী: এই গবেষণাগারের সুবিধাদি ব্যবহার করে কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সহ এক্সটারন্যাল ও ইনটারন্যাল বিকিরণ ডোসিমেট্রি সম্পাদন করা হয়।

কার্যক্রম/কর্মকাণ্ড 

পরিবেশগত তেজস্ক্রিয়তা পরিবীক্ষণ

পরিবেশগত তেজস্ক্রিয়তা পরিবীক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সাভারে অবস্থিত গবেষণা চুল্লী চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ফলে সাধারণ জনগণ এবং পরিবেশের উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব আছে কিনা তা নির্ণয়ের জন্য এর ১০ কি.মি. ব্যাসার্ধের মধ্যে নিয়মিতভাবে সংগৃহীত পরিবেশগত নমূনায় তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরিমাপন করা হয়।পরিবেশগতনমুনা বিশ্লেষণ এবং এতে উপস্থিত তেজস্ক্রিয় পদার্থ সনাক্তকরণের জন্য অত্র ইউনিট প্রয়োজনীয় সু্যোগ-সুবিধা প্রদানকারী উপকরণাদি, যেমন- গামা-রে স্পেক্ট্রমেট্রির জন্য এইচ পি জি ই ডিটেক্টর সিস্টেম, গ্রস আলফা-বিটা কাউন্টিং সিস্টেম ইত্যাদি দ্বারা সমৃদ্ধ।পরিবেশগত তেজস্ক্রিয়তা পরিবীক্ষণ কার্যক্রমসমূহ নিম্নরূপ:

 

  • উপযুক্ত নিরাপত্তা সীমা এবং ব্যবহার বিধি প্রনয়ণের জন্য বিকিরণ কর্মকান্ড পরিচালনার পূর্বে এবং পরে পরিবেশগত নমূনা যেমন: বাতাস, মাটি, পানি, ঘাস, খাদ্যদ্রব্য ইত্যাদি মনিটরিং করা হয়।
  • এইআরই-এর ভিতরে এবং বাহিরে (১৯৮২-১৯৮৬) বিকিরণ কর্মকান্ড পরিচালনার পূর্বে পারিপার্শ্বিক তেজস্ক্রিয়তা পর্যবেক্ষণের কাজ সম্পাদনের পর পরিচালনা পরবর্তী তেজস্ক্রিয়তা পর্যবেক্ষণের কাজও ধারাবাহিক ভাবে চলছে।পরিবেশগত নমূণা সংগ্রহের পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম রেডিওনিউক্লাইডের জন্য গামা-রে স্পেক্ট্রমেট্রি সিস্টেমের সাহায্যে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নির্ণয় করা হয়। বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় যে, এইআরই-এর গবেষণা চুল্লীচালনা এবং অন্যান্য বিকিরণ কর্মকান্ডের ফলে পরিবেশে বাড়তি কোন তেজস্ক্রিয়তা দূষণ ঘটে নাই। পরিমাপকৃত তেজস্ক্রিয়তার মাত্রাআন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মাত্রার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

অধিকন্তু বেইজ লাইন ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ব্যাকগ্রাউন্ড তেজস্ক্রিয়তা (প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম উৎস থেকে উদ্ভূত) ম্যাপিং এর কাজ চলমান আছে। কোন নির্দিষ্ট এলাকার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, বসতি স্থাপন ও বিভিন্ন কৃত্রিম পরিবর্তনের ফলে সেখানকার ব্যাকগ্রাউন্ড তেজস্ক্রিয়তার কোন পরিবর্তন হচ্ছে কি না তা পরীক্ষালব্ধ ফলাফলের সাথে তুলনা করে নির্ণয় করা হবে।

 

তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

বাংলাদেশে কঠিন এবং তরল তেজস্ক্রিয় বর্জ্যসাধারণত গবেষণা,শিল্প, শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা ইত্যাদি থেকে উৎপন্ন হয়। বিভিন্ন উৎস থেকে উদ্ভূত তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের মধ্যে কিছু পরিমাণ তেজস্ক্রিয়তা থাকে এবং এই বর্জ্য যদি যথোপযুক্তভাবে ব্যবস্থপনা না করা হয় তবে তা মানবদেহ ও পরিবেশের উপর মারাত্বক প্রভাব বিস্তার করে।

বিভিন্ন প্রকার কঠিন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য, যেমন: আয়ন-এক্সচেঞ্জ রেজিন, গ্রাফাইট প্লাগ, ধাতব দ্রব্য, দূষণকৃত ভায়াল, হ্যান্ড গ্লাভস্, প্লাস্টিক সিরিঞ্জ, সু-কভার, প্রটেকটিভ ক্লথ, প্লাস্টিক এবং মেটালিক তার ইত্যাদি এইআরই-এর বিভিন্ন বিকিরণ স্থাপনা থেকে উৎপন্ন হয়। এছাড়া বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সার কারখানা, পেপার মিল ইত্যাদি থেকে স্পেন্ট এবং ডিস্‌ইউজড্  তেজস্ক্রিয় বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এগুলোর মধ্যে কোবাল্ট-৬০, সিজিয়াম-১৩৪, ১৩৭, স্ট্রনসিয়াম-৯০, টেকনিশিয়াম-৯৯এম, এমারশিয়াম-২৪১, ফসফরাস-৩২ ইত্যাদি রেডিওনিক্লাইড উল্লেখযোগ্য।

 

সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড ডোসিমেট্রি ল্যাবরেটরীর কার্যক্রম

১৯৯৮ইং সালে আই.এ.ই.এ/বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসএসডিএল নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড ডোসিমেট্রি ল্যাবরেটরী স্থাপন করা হয়। পৃথিবী ৬৭ টি সদস্য রাষ্ট্রের অধীনে ইহার ৮০টি গবেষণাগার এবং ৬টি জাতীয় এসএসডিএল অরগানাইজেশন রয়েছে। ইহা যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরী(প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড)এবংআই.এ.ই.এ, ভিয়েনার ল্যাবরেটরীর অনুকরণে তৈরী করা হয়েছে। এই ল্যাবরেটরী বিকিরণ নিয়ন্ত্রণ এবং বিকিরণ মাত্রা পরিমাপনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ক্রমাংকণ ও প্রমিতকরণ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আই.এ.ই.এ-এর সদস্য রাষ্ট্রের রেডিওথেরাপী চিকিৎসা ব্যবস্থায় রোগীকে যে ডোজ দেওয়া হয় এসএসডিএল নেটওয়ার্কের সাহায্যে তা আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে রাখাই হলোসেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড ডোসিমেট্রি ল্যাবরেটরীর মুখ্য উদ্দেশ্য। অত্র গবেষণাগারএসএসডিএল নেটওয়ার্কের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মাত্রার মধ্যে যন্ত্রপাতিরক্রমাংকণ নিশ্চিত করছে। বিকিরণ নিরোধ সেবা কার্যক্রমে অত্র গবেষণাগার বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইহা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি সংযোগ সূত্র হিসেবে কাজ করছে।  

 

নিম্নলিখিতভাবে অত্র গবেষনাগার এক্সটারন্যাল ও ইনটারন্যাল ডোসিমেট্রির মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সম্পাদন করছে:

  • স্বাস্থ্য, শিল্প, কৃষি, গবেষণা ইত্যাদির বিকিরণনিয়ন্ত্রণ কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ক্রমাংকণ ও প্রমিতকরণ করা।
  • টেলিথেরাপী (সিজিয়াম-১৩৭, কোবাল্ট-৬০), ডিপথেরাপী, এক্স-রে এবং লিনিয়ার এক্সিলারেটর আউটপুট ডোজ পরিমাপনের সঠিকতা উন্নয়ন করা।
  • অত্র গবেষণাগারের হোল বডি কাউন্টিং সিস্টেম ব্যবহার করে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ কর্মী এবং জনসাধারণের দূর্ঘটনাজনিত বিকিরণ সম্পাতপরিমাপন করা হয়।
  • স্বাস্থ্য, শিল্প, কৃষি, গবেষণাইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের বিকিরণনিয়ন্ত্রণকাজেব্যবহৃত রেডিওথেরাপী প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়ন।আইএইএ টিএলডি ইন্টার-কম্পেরিজন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ (আন্তর্জাতিক কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স প্রোগ্রাম)

 

অজিত সাফল্য 

কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগারঃ

উৎপন্ন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সমূহ চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পূর্ব পর্যন্ত নিরাপদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সাভারে কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হয়েছে। ২০০৫ সাল থেকে অফিসিয়ালি এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণের জন্য এটা দেশের একমাত্র স্থাপনা যা ১১৬৩ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এই ফ্যাসিলিটিতে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতিও  রয়েছে।

 

কঠিন এবং তরল তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিঃ

সংগৃহীত কঠিন, তরল এবং সিল্ড্ রেডিওএ্যাকটিভ সোর্স সমূহ নিম্নোক্তভাবে ব্যবস্থাপনা করা হয়: ক) কঠিন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সংগ্রহের পর বাছাই করেকেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগারের অন্তবর্তীকালীন স্টোরেজ রুমে রাখা হয়। যে সমস্ত কঠিন বর্জ্যের অর্ধায়ু অপেক্ষাকৃত কম সেগুলো ডিলে ডিকের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। খ) হাসপাতাল এবং শিল্প কারখানা থেকে সংগৃহীতঅপেক্ষাকৃত বেশী অর্ধায়ু রেডিওনিউক্লাইড এবং যেগুলোর তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বেশী সেসমস্ত সিল্ড্ রেডিওএ্যাকটিভ সোর্স সমূহ সীল্ডেড আধারে রেখে সংরক্ষণ করা হয়।

 

কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগারে রক্ষিত তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের তালিকাঃ

সমগ্র দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও অব্যবহৃত সীল্ড তেজস্ক্রিয় পদার্থ যথাযথ ব্যবস্হাপনার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগারের অন্তবর্তীকালীন স্টোরেজ রুমে রাখা হয়। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও অব্যবহৃত সীল্ড তেজস্ক্রিয় পদার্থের একটি হাল-নাগাদ তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। পূর্বেএকটি ম্যানুয়্যাল সিস্টেমের দ্বারাতেজস্ক্রিয় পদার্থের তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করা হত। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও অব্যবহৃত সীল্ড তেজস্ক্রিয় পদার্থের নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর পরিচালনার জন্য আইএইএর সহযোগীতায় সম্প্রতি একটি সফ্টওয়্যার ভিত্তিক "তেজস্ক্রিয়বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রেজিস্ট্রি (RWMR) " সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে।

 

তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ডিসপোজাল সংক্রান্ত উন্নয়ন ও গবেষণা কার্যক্রমঃ

এইআরই ক্যাম্পাসে স্বল্প আয়ুর নিম্ন ও মধ্যবর্তী স্তরের তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের জন্য পাইলট-স্কেল নিয়ার সারফেস রিপজিটরী স্থাপনের এলাকা নির্বাচনের লক্ষ্যে ২৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়েজিও- সায়েন্টিফিক অনুসন্ধানের কাজ চলছে।

 

অন্যান্য 

শিক্ষা-বিষয়ক কর্যক্রম/মানব-সম্পদ উন্নয়নঃ স্বাস্থ্য পদার্থ বিজ্ঞান তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট

অত্র ইউনিট দেশের উচ্চশিক্ষা উন্নীত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্র/গবেষকগণ তাদের গবেষণাসংক্রান্ত কার্যক্রম অত্র ইউনিটের গবেষণাগারে সম্পন্ন করছেন।অত্র বিভাগের বিজ্ঞানী গণ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় /প্রতিষ্ঠানেরছাত্র/ গবেষকগণেরএম,এস-সি, এম-ফিল, এম.এস ও পিএইচডি ডিগ্রী গবেষণা তত্ত্বাবধানসহ আনুষাঙ্গিক গবেষণা সাহায্য করে পারমাণবিকবিজ্ঞানওপ্রযুক্তি বিষয়ক মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখছেন।

 

সেবা প্রদানঃ স্বাস্থ্য পদার্থ বিজ্ঞান ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট

বিকিরণ নিরোধ সেবা কার্যক্রমঃ

স্বাস্থ্য পদার্থ বিজ্ঞান ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গবেষণাগারসহ দেশের বিভিন্ন বিকিরণ স্থাপনায় নিয়মিত ও জরুরী অবস্থায় এবং প্রয়োজন অনুসারে বিকিরণ নিরোধ সেবা প্রদান করে থাকে। উক্ত কাজের জন্যঅত্র ইউনিট প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি (যেমন: সার্ভেমিটার, কন্টামিনেশন মনিটর, রেডিওনিউক্লাইড ডিটেক্টর ইত্যাদি) এবং দক্ষ মানব সম্পদ দ্বারা সমৃদ্ধ। এছাড়া অত্র ইউনিট পেশাগত বিকিরণ কর্মীদের জন্য নিয়মিত বিকিরণ নিরোধ সেবাও প্রদান করে থাকে।

 

সেকেন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড ডোসিমেট্রি কার্যক্রমঃ

  • চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা, খনিজ, শিল্পকারখানা ইত্যাদিতে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ পরিমাপন কাজে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সমূহের (যেমন সার্ভমিটার, পকেট ডসিমিটার, এরিয়া মনিটর, কন্টামিনেশন মনিটর ইত্যাদি) ক্রমাংকণ এবং প্রমিতকরণের কাজ  সেকন্ডারী স্ট্যান্ডার্ড ডসিমেট্রি গবেষণাগারের সুবিধাদি ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়।
  • দেশের বিভিন্ন সরকারী এবং বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনসিস্টিউট ইত্যাদিতে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত টেলিথেরাপী, ডীপ থেরাপী, ডায়াগনস্টিক এক্স-রে, মেগা ভোল্টেজ এক্স-রে, ব্রাকি থেরাপী, ইলেকট্রন বীম ইত্যাদির ডোসিমেট্রি এবং মাননিয়ন্ত্রণ কাজ সম্পন্ন করা হয়।
  • রেডিওথেরাপী সেন্টারগুলোতে ডসিমেট্রি ও মান নিয়ন্ত্রন কাজে ব্যাবহৃত আয়োনাইজেশন চেম্বার, ইলেক্ট্রোমিটার ইত্যাদির ক্রমাংকন ও প্রমিতিকরন কাজ করা হয় ।
  • আইএইএ ও ডব্লিউ এইচ ও এর সহযোগীতায় সরকারী/বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে অবস্থিত রেডিওথেরাপীতে প্রয়োগকৃত ডোজমাত্রার মান নিওন্ত্রন সেবা প্রদান করা হয়।
  • বিভিন্ন বিকিরন স্থাপনাতে কর্মরত পেশাগত বিকিরন কর্মীদের দেহাভ্যন্তরীণ বিকিরন মাত্রা হোল বডি কাউন্টিং (ডব্লিও বি সি) এর মাধ্যমে পরিমাপণ করা হয়।

Share with :